Daily Activities That Subconsciously Will Boost Your Mental Health

A strong mental health isn’t only the absence of major mental illness. It is much more than not feeling depressed, anxious or having other psychiatric condition. A mentally healthy person has the emotional and mental resilience to cope with adversities, stay focused, be productive and embark onto life adventures with self confidence and hope. If you struggle to build fulfilling relationships, deal with stress, find meaning in life and work, or just find it hard to push through a day, do not give up on yourself thinking “this is just the way I am”. This may lead you to succumb to maladaptive behaviors, such as substance abuse, social isolation and procrastination, as coping mechanisms. Instead, try make an effort by integrating few of the following practices in your daily life: Exercising – Even a light workout routine in the morning can improve your mood, energy levels, increase circulation and encourage […]

Behavioral health vs Mental health – An important distinction to make

As uncanny as it may seem, behavioral health and mental health are  two very different things.  For one, mental health is solely concerned with the state of mind, whereas, behavioral health focuses on the interplay of habits and daily activities with the state of mind. One way to think about it is that mental health is a subset of a yet broader term (often referred to as a ‘blanket term’) – behavioral health . Recognizing this fine line allows us to seek proper care for our condition. Among the many aspects that pertain to behavioral health disorders, Eating disorder  substance abuse,  sleeping irregularities  social isolation are to mention but a few . The aforementioned conditions may often root from maladaptive behaviors. It is important to note, however, that certain conditions are not entirely caused by behavioral issues. Rather, genetics and brain chemistry play a greater role. Bipolar disorder  Schizophrenia  Depression[…..]

The kinds of food that can improve your mood

With the ever evolving nutrition research, it can be difficult to have confidence over nutrition advice, especially the one that is said to have influence over our mental health. Yes, you read that right – food can have an effect on our mood. Although it has remained in the extreme fringe of soft science so far, recent studies and evidence have allowed nutritional psychiatry to gain traction in the scientific community. Experts now can offer recommendations with greater conviction. It is very common for people to reach out to comfort foods such as chocolates, chips and ice-creams whenever they are feeling down. While these might give instant gratification, high carbohydrate, sugar and salty foods can contribute to activation of inflammatory systems that can in turn have adverse effect on mental health in the long run. Not to mention, saturated and trans fat, refined grains and ultra-processed food are also listed[…..]

দুর্বিষহ কোয়ারেন্টাইন

কি এক আশ্চর্য পরিবর্তনের মাধ্যমে মােড় নিল এই পৃথিবী, এই ধরণী মায়ের গতি। চেনা-অচেনা সবকিছুরই এক অজানা রূপ দেখিয়ে দিল ২০২০। স্থিতি অস্থিতি সুস্থিতি ইত্যাদি কত রকমেরই বৈজ্ঞানিক শব্দের ব্যবহার দেখিয়ে দিল ২০২০ মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে। কোভিড-১৯ এসে বিচ্যুত করে দিল সমগ্র পৃথিবীর স্বাভাবিক ভারসাম্য, থমকে দিল প্রকৃতিকে, নষ্ট করে দিল জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ। কোয়ারেন্টিন, আইসােলেশন নামে আরাে কত নতুন নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হলাম আমরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া হলাে যে “ঘরে থাকুন, সেল্ফ কোয়ারেন্টিনে থাকুন।” সেল্ফ। কোয়ারেন্টিন বা প্রাতিষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রেই মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব অত্যন্ত প্রকট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মহামারী মােকাবেলায় মানুষ ঘরে অবস্থান করছেন। তবে যারা নিয়মিত কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, ভ্রমণপিপাসু তাদের ক্ষেত্রে লকডাউনটা খুব কঠিন সময়। বিশেষ করে শিশু – বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে এক জায়গায় থাকতে থাকতে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এর প্রভাবে কোরেন্টিনে থাকা ব্যক্তির[…..]

Survival in Time of Corona: Experience of A Bangladeshi Student in the UK

My story starts in early March of 2020. We were on the verge of ending our second semester. The whispering of the corona pandemic was spreading across the University campus from late February. And then the fear came true. A notice of lockdown was implemented in Glasgow in late March. I was living in one of the private students’ accommodation. Flights cancelled, groceries emptied due to panic of people, and I got stuck in my studio apartment with the fear of awaiting danger. The situation seemed worse when I could not manage to find out rice packets in all the leading grocery stores, and to be frank; I was in doubt whether I would be able to survive alone or not. It was indeed an unexpected situation for me and fellow students. We were trying to cope with the ‘new normal,’ but life was not the same. We could not[…..]

বেঁচে থাকার জন্যে দরকার ভালো থাকা, আর ভালো থাকার জন্যে দরকার ইতিবাচক মনোভাব

সারাদিন রোজা থেকে সন্ধ্যায় ইফতারির সময় পেঁয়াজু আর বেগুনী আমার চাই-ই চাই। গতবছর রমজানে ঢাকায় ছিলাম, আর পরীক্ষার ব্যাস্ততায় এটা সেটা পছন্দের খাবার খেতে পারিনি। এবার তো বাসাতেই ছিলাম। কিন্তু এবারেও বিধি বাম! বাজারে লকডাউন চলছে। কি করি কি করি ভাবতে ভাবতেই, ইউটিউব দেখে গ্যাসের চুলায় বানিয়ে ফেললাম পেঁয়াজু আর বেগুনী। সম্প্রতি করোনা প্যানাডেমিক দেশে এমন একটা অবস্থার সৃষ্টি করেছে যে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন হাজার- লাখো মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, নানান চেষ্টা সত্ত্বেও কত প্রিয়জন হারিয়ে যাচ্ছে! চারদেয়ালের ভেতর নিজেদের সময়টা এমন হয়ে উঠছে যে স্নায়ুর উপর প্রচন্ড চাপ পড়ছে, তাছাড়া বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা তো আছেই। আমার অনেকবার মনে হয়েছে আমি আমার ডিপ্রেশনের চুড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গিয়েছি, আর পারছি না! সেদিন “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মেন্টাল হেলথ” এর করা একটা জরিপে দেখলাম, ২০১৯ সালে মানুষের বিষণ্ণতাজনিত সমস্যার হার ছিলো শতকরা ৬দশমিক ৭ভাগ, যা এইবছর বেড়ে হয়েছে শতকরা ৩২দশমিক ২ভাগ, আর উৎকন্ঠাজনিত সমস্যা শতকরা ৪দশমিক ৫ভাগ থেকে বেড়ে শতকরা ৪৭দশমিক[…..]

মহামারীতে বিষন্নতা নয় নিজেকে সময় দিন, প্রাণোচ্ছল থাকুন

আত্মহত্যা, বিষন্নতা নিয়ে কথা বললে সবাই বলে, “মনে ঈমান নাই তাই এসব বলে।” “এত ভালো রেজাল্ট,তোমার আবার কিসের ডিপ্রেশন” “চেষ্টা না করলে তো হেরে যাবাই, এখানে মন খারাপের কি আছে” “কত মানুষ মারা যাচ্ছে, সেদিকে খেয়াল নেই আবার মনের দিকে নজর!” ফেসবুক ফ্রেন্ড দের নানা ক্রিয়েটিভিটি,রাতের বেলা হাহাকার যেন হুহু করে উঠে মনের মাঝে।   শত ব্যাস্ততার মাঝে থেকে হঠাৎ দীর্ঘ ছুটি,তার উপর মৃত্যুর ঢল, আমরা দিন দিন নিমজ্জিত হচ্ছি অন্ধকারে। এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য নিজেকে সময় দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যে যার স্রষ্টার ইবাদতে নিজেদের নিমজ্জিত রাখার সাথে সাথে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত। নিজেকে নিজে প্রশ্ন করতে হবে।নিজের সমস্যা গুলো আয়নার সামনে বসে বলতে হবে, একা একা,কান্না আসলে কাঁদতে হবে,যেসব কটু কথা মনকে বিষিয়ে তোলে সেগুলো একটি কাগজে লিখুন,তারপর ছিড়ে ফেলবেন,দেখবেন ভালো লাগবে।   ঘরে বসে আলসেমির জন্য শরীর চর্চা করা হয়ে ওঠেনা।তাই মনের মাঝে আগাছাও পরিষ্কার করা হয়না।করোনায় প্রতিদিনই আমাদের ঘর পরিস্কার করতে হয়,জীবাণুমুক্ত করতে হয়।ক্লিনিং[…..]

করোনাকালে আমি (মার্চ-সেপ্টেম্বর)

  কোভিড -১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষ লকডাউনে ঘরে বন্দি হয়ে পড়েছে।আমিও তার ব্যতিক্রম নই।সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে মাত্র ২মাস ক্লাস করি।তারপরেই করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয় ১০দিনের জন্য।১৭ই মার্চ চলে আসি বাড়িতে।দিন যত যায় করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি তত অস্বাভাবিক হতে থাকে,ছুটিও বাড়তে থাকে মাসের পর মাস।দেশব্যাপী করোনা আক্রান্তের হার,মৃত্যু..বিশেষ করে বাড়ির আশেপাশের পরিচিতজনের করোনায় আক্রান্তের,মৃত্যুর খবর শুনে মানসিক ভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই করোনাকালে সুস্থ মনমানসিকতা/ইতিবাচক মনোভাব ছাড়া যে বেচে থাকাটাই কঠিন।এক্ষেত্রে ইতিবাচক মানুষদের সাথে সখ্যতাই অনেক বড় উপায়। পারিবারিক দৃঢ় বন্ধন,পরিবারের সাথে সময় কাটানো,আত্নীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সাথে কুশলাদি বিনিময় করে অনেকটা ভাল থাকা যায়।আর আমিও তাই করেছি।ব্যস্ততা আর দূরত্বে থেকে যেসব আত্নীয়স্বজনদের সাথে অনেকদিন দেখা-সাক্ষাৎ নেই, এই সময়ে কাছে থেকে দূরের সবার সাথে অন্তত ১বার করে ভিডিওকল এ দেখে কথা বলেছি।   আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে সবার সুস্থতা ও সুস্থ সুন্দর পৃথিবীর কামনা তো প্রতিদিনই করছি। কোয়ারেন্টিন এর প্রথম দিকে,মার্চ-এপ্রিল মাসে ঘুমের তো কোন রুটিন ই[…..]

ইতিবাচক মনোভাবের ফলাফল ইতিবাচকই হয়

ইতিমধ্যে আমরা সকলেই কোভিড-১৯ সম্পর্কে অবগত এবং অনেকটা সময় এই মহামারির মধ্যে দিয়ে আমরা পার করেছি এবং এখনো করছি।সত্যি বলতে,এই মহামারির মধ্যে জিবন অতিবাহিত করাটা আসলে খুবই দূর্বিষহ।এর ভেতর থেকে ইতিবাচক মনোভাব রাখাটা যদিও একটা কঠিন কাজ,তবুও আমরা চাইলে আমাদের মনোবলকে শক্ত করার জন্য আমরা ইতিবাচক মনোভাব ধারণ করতে পারি।বর্তমানে,এই মহামারির সময়ে আমি অনেক ভালো কিছু মুহুর্ত পেয়েছি যেটা আমাকে ইতিবাচক মনোভাব রাখতে বাধ্য করেছে। ব্যক্তিগতভাবে, নিজের পরিবারের সাথে সময় কাটাতে আমি ভিষণ পছন্দ করি।কখনোই ভাবিনি এতো লম্বা একটা সময় জুড়ে পরিবারের সাথে থাকতে পারবো। মা-বাবা,ভাই-বোন, দাদা-দাদি তাদের সবার সাথে খুব আনন্দের সাথে দিন অতিবাহিত করতে পেরে সত্যি নিজের কাছে অনেকটা সুখ অনুভব করছি।   অবসরে,দাদ-দাদির কাছ থেকে পুরানো সেকালের গল্প শুনি এতে সেকাল সম্পর্কে আমার অনেকটা ধারণা তৈরি হয়েছে।সেকালের যাতায়াতের ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা আরো কত কি! শুনলে একদিকে গা শিউরে ওঠে আবার খুব ভালোও লাগে।আমি গ্রামে থাকি। দেখা গেছে, গ্রামের অনেক মানুষ কোভিড-১৯ সম্পর্কে সচেতন না। আমি[…..]